
Y. B. Yeats
১৮৬৫ সালের ১৩ জন উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস ডাবলিনে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা জন বাটলার ইয়েটস ছিলেন একজন সৃষ্টিশীল মানুষ। তিনি তাঁর পারিবারিক পেশা আইরিশ চার্চের পৌরহিত্যকে পরিত্যাগ করে প্রথমে আইন ব্যবসায় যোগ দেন এবং ব্যরিস্টার হিসেবে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। কিন্তু অল্প কিছুদিনের মধ্যেই এ পেশা থেকে সরে গিয়ে নিজেকে শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। পরবর্তীকালে তিনি একজন খ্যাতিমান শিল্পী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। পরবর্তীকালে ইয়েটসের বাবা জন ইয়েটস একাই লন্ডনে চলে যান।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
- He (1865-1939) was an Irish poet and one of the foremost figures of 20th century literature.
- In 1923 he was awarded the Nobel Prize in Literature as the first Irishman.
- Yeats wrote the introduction for of Rabindranath Tagore .
- W.B Yeats ছিলেন একজন বিখ্যাত English Poet.
- তাঁর কবিতার সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যণীয় বিষয় হচ্ছে Use of Symbolism and Mysticism.
- "Easter- 1916" কবিতার বিখ্যাত দুটি লাইন হলো All Changed, Changed Utterly/ A terrible Beauty is born.
His well-known works:
- The Tower (poetry)
- The Winding Stair (poetry)
- The Green Helmet (poetry)
- The Wild Swans at Colle (poem)
- The Lake Isle of Innisfree
- Easter 1916
- Sail to Byzantium
- Leda and The Swan
W.B. Yeats এর কবিতা মনে রাখার কৌশল: Leda- Swan দেখার জন্য Byzantium এ গেল। সেখানে Coole-Park এর Lake এর মধ্যে অনেক Swan দেখল।
i) Leda = Leda and Swan
ii) Byzantium = Sailing to Byzantrium
iii) Coole = The Wild Swans at Coole
iv) Lake = The Lake Isle of Innisfree
দ্য লেক আইল অব ইনিসফ্রি
The Lake Isle of Innisfree
সারাংশ:
বর্তমান জীবনে ক্লান্ত, বিরক্ত কবি কোনো এক শান্ত দ্বীপে আশ্রয় কামনা করেন। অতিসাধারণ, প্রকৃতি পরিবেষ্টিত ইনিসফ্রী হ্রদের নির্জন নিবাসে তিনি শান্তি পাবেন, এমনি তিনি ভাবেন। নলখাগড়ার বেড়ায় ঘেরা ঘর, মাচায় শোভিত শিমলতা, মৌচাক, ঝিঁঝি পোকার গান, সিগ্ধ দুপুর, চড়ুইয়ের প্রফুল্ল ডানার বিকেল কবিকে দু'দণ্ড শান্তি দেবে এমনি কবির কল্পনা। বাংলা সাহিত্যে, জীবনানন্দ দাশের 'আবার আসিব ফিরে... কবিতায় একই সুরের অনুরণন শোনা যায়।
সেইলিং টু বাইজেন্টিয়াম
Sailing to Byzantium
সারাংশ:
পরবর্তী পরিস্থিতিতে বৃদ্ধরা যখন উপেক্ষিত, মূল্যবোধ অবহেলিত কবি তখন এ' আবহ থেকে মুক্তি কামনা করেছেন। যিশু খ্রিষ্টের জন্মভূমিতে ফিরে যাবার ইচ্ছে পোষণ করেছেন। পূত পবিত্রতায় পুণ্যতায় হবার আশা পোষণ করেছেন। 'পুনরাগমন' কবিতায় প্রকাশিত অবতারের পুনরাগমন প্রতীক্ষায়ও আর কালক্ষেপন না করে কবি নিজেই বাইজেন্টিয়ামে যাত্রার মানসিকতায় নিজেকে প্রস্তুত করছেন। কবি মনে করেন বাইজেন্টিয়ামে তিনি হতাশা পিছে ফেলে আবার আলোয় উজ্জীবিত হবেন।
ইসটার ১৯১৬
সারাংশ:
ইয়েটস শুধু ভাব জগতে বিভোর কবি নন। তিনি বাস্তববাদী। সচেতন, স্বদেশপ্রেমী। তাঁর স্বদেশ আয়ারল্যান্ডে, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে রোষানলের প্রজ্বলিত শিখা কবিকেও ছুঁয়ে যায়। তিনি আইরিশ বিদ্রোহীদের প্রতি সহানুভূতিশীল। ইংরেজরা, আইরিশদেরকে ব্যঙ্গ, উপহাসের পাত্র হিসেবে দেখেন, তাদের বিদ্রূপ করেন। এসবের বিরুদ্ধে লড়ে যে আইরিশ বিদ্রোহীরা আয়ারল্যান্ডকে আত্মমর্যাদার প্রতিষ্ঠিত করার সংগ্রামে আত্মত্যাগী কবি তাদের জয়গান গান। ব্যক্তিগত বিদ্বেষ ভুলে তাদের সকলকে অভিবাদন জানান।
এ প্রেয়ার ফর মাই ডটার
সারাংশ:
প্রচণ্ড এক ঝড়ের দিনে কবি দোলনায় সুপ্ত তাঁর আত্মজার জন্য প্রাণ ভরে প্রার্থনা করছেন সে যেন সারা জীবন রাহুমুক্ত থাকে, সুস্থ সুন্দর থাকে দেহ মনে। কবি প্রার্থনা করছেন কন্যাটি যেন অপরূপ সুন্দরী হয়, নিরহংকার হয়। নিজ জীবনের অভিজ্ঞতায় কবি দেখেছেন রূপসীরা অহংকারী, আর অহংকারী নারী নিজে সুখ পায় না অন্যকেও সুখী করতে পারে না। কবি তাই তাঁর আত্মজার জন্য জটিলতাহীন, অতি সাধারণ একটি জীবনের প্রার্থনা করছেন। অন্য যে কোনো পিতার মতোই ভালো ঘর, বরের প্রার্থনা করেছেন। নিরহংকার সুখী সুন্দর জীবন, জটিলতাহীন, সহজ জীবন কামনা করছেন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Read more